দক্ষিণ যুবদলের কমিটি যেকোনো সময়, আলোচনায় যারা

শামিম আল মাহামুদ
বামে রবিউল ইসলাম নয়ন, এম এ গাফফার, ডানে নুরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ও শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি ছবি: সংবাদপত্র
বামে রবিউল ইসলাম নয়ন, এম এ গাফফার, ডানে নুরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ও শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি ছবি: সংবাদপত্র

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ক্লিন ইমেজ ও রাজপথের ত্যাগী নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।  সভাপতি পদে সব চেয়ে বর্তমান সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।  

এছাড়া সভাপতি পদে বেশ আলোচনায় রয়েছেন, যুবদল দক্ষিণের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এম এ গাফফার ও যুগ্ম আহবায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ।  এরমধ্যে গাফফার সভাপতি পদে আলোচনায় এগিয়ে যদি নয়নকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাহলে গাফফার সভাপতি ও নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন। 

সোহাগ দীর্ঘ ১৮ বছর যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মী হিসেবে আছে ২০১০ সালের ২৭ জুন বিএনপি আহুত হরতালে পুলিশের নির্মম নির্যাতনে মেরুদন্ডের হাড় ফেটে যায় এবং বিনা চিকিৎসায় কারাগারে যায়।  ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের লক্ষে প্রস্তুতিকালে ২৭ অক্টোবর মালিবাগে ডিবির হাতে গ্রেফতার পরবর্তী ২০১০ হরতালে নাশকতার মামলায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড রায় ও কারাগারে সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ।  ২০ জুলাই ঢাকা শহরে আমরাই প্রথম কার্ফিউ ভেঙেছেন। 

সাধারণ সম্পাদক পদে যুগ্ম আহবায়ক সাবা করিম লাকি, যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল হেদায়েত সৈকত পণ্ডিত, যুগ্ম আহবায়ক রাফিজুল হাই রাফিজ, শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি।  জ্যাকি ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক।  সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ খালিদ হাসান জ্যাকির নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।  ওমর ফারুক মুন্না।  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তিনি।  এছাড়া সম্পাদক পদে বেশ আলোচনায় মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসলাম রয়েছেন।  তিনি সাবেক ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি।  আসিফুর রহমান বিপ্লবের নাম শোনা যাচ্ছে।  তিনিও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

দলীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা মনে করছেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটানো হলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে।  একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এবার বিতর্কমুক্ত, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতাদের নেতৃত্বে দেখতে চান। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনে যারা রাজপথে ছিলেন, দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সাংগঠনিক কাঠামো সচল রেখেছেন তাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত