মোবারক হোসেন বলেন, একজন নারী সংসদে গিয়ে নারীদের পক্ষে, জাতির পক্ষে কথা বলতে পারবে এমন প্রার্থী খুঁজছে জামায়াত। ক্রিকেট বোর্ডের মতো প্রার্থী দিবে না জামায়াত। পরিবারতন্ত্র নয়; জামায়াত প্রাধান্য দিচ্ছে যোগ্যতায়। প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ পেলেই প্রমাণ পাবে জাতি।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মোবারক হোসেন বলেন, বিরোধী দলে থাকলে ভাগবাটোয়ারার ক্ষেত্রে কম পায় এবং প্রশাসনও সেসব এমপিদের সহযোগিতা করে না- এ ব্যাপারে আমরা সংসদ ও মন্ত্রণালয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তিনি বলেন, জামায়াতে যারা এমপি হয়েছেন, তারা বিভিন্ন পরিক্রমায় জামায়াতের নেতৃত্বে এসেছে। তাদের ওপর আস্থা আছে, তারা সমাজে কোনো প্রকার অসঙ্গতির সঙ্গে জড়িত হবেন না। তাদের প্রশিক্ষিত করার জন্য আলাদা সেল রয়েছে। একটি রাষ্ট্রকাঠামোতে যাওয়ার জন্য যেসব পরিকল্পনা দরকার; সেই সব জায়গা জামায়াত তৈরি করে রেখেছে। যদিও আমরা ছায়া মন্ত্রিসভার প্রস্তাব দিয়েছিলাম; সেটি সরকার গ্রহণ করেনি। তাই আমাদের এমপিদের দক্ষতা উন্নয়ন করছি। যাতে তারা সংসদে বা সংসদের বাইরে জনগণের বঞ্চনার কথা বলতে পারে। বিভিন্ন উপজেলায় জামায়াতের এমপি রয়েছে। এসব জায়গায় বিরোধী দলে থাকলে ভাগবাটোয়ারার ক্ষেত্রে কম পায় এবং প্রশাসনও সেইসব এমপিদের সহযোগিতা করে না। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সংসদেও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গেও এমপিরা যোগাযোগ রাখছে। আসা করছি জনগণের উন্নয়নে কোন প্রভাব ফেলবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্ব অন্যতম। মাঝে মাঝে তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। এমন কিছু ছবি বা সংবাদ থাকে যা পুরো দেশের চিত্র বদলে দিতে পারে। একটি সংবাদ বা ছবির মাধ্যমে দেশে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। তাই সংবাদকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন সর্বদা জরুরি।
এ সময় তিনি সঠিক সংবাদ সংগ্রহ, পরিবেশন এবং জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সবার বিবেক এবং বুদ্ধি প্রয়োগের আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু জাফর সিদ্দিকী, যশোর সরকারি এমএম কলেজের সাবেক ভিপি আব্দুল কাদের, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস, দপ্তর সম্পাদক নুর-ই আলী নুর মামুন, প্রচার সেক্রেটারি শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস প্রমুখ।