সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী তন্নি মল্লিক

রাশেদুজ্জামান
তন্নি মল্লিক ছবি: সংবাদপত্র
তন্নি মল্লিক ছবি: সংবাদপত্র

জাতীয় রাজনীতিতে সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে যখন বিভিন্ন নাম আলোচনায় উঠে আসছে, তখন ছাত্ররাজনীতির অঙ্গন থেকে একটি আলোচিত নাম—কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী তন্বী মল্লিক। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজপথের আন্দোলন–সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং নেতৃত্বের দক্ষতার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

তন্বী মল্লিক ছাত্রজীবন থেকেই সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি সাবেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন। সংগঠনের সংকটকালীন সময়ে মাঠে থেকে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং সাহস জোগানোয় তার ভূমিকা নেতাকর্মীদের কাছে প্রশংসিত।

রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে তার উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। বিভিন্ন দাবি আদায়ের কর্মসূচি, মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একাধিক কর্মসূচিতে তিনি শারীরিক নির্যাতন ও বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলেও সহকর্মীরা জানান। তবুও পিছপা না হয়ে সংগঠনের আদর্শে অবিচল থেকে তিনি তার রাজনৈতিক পথচলা অব্যাহত রেখেছেন।

সহযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তন্বী মল্লিক সাহসী, পরিশ্রমী ও দৃঢ়চেতা একজন সংগঠক। তিনি নারী নেতৃত্বের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে ইতিবাচকভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে আলোচনা জোরদার হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দীর্ঘদিন মাঠে থেকে রাজনীতি করা নারী নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হলে তন্বী মল্লিকের মতো নেত্রীরা অগ্রাধিকার পেতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহল এখন তাকিয়ে আছে—সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তন্বী মল্লিক কতটা এগিয়ে থাকেন এবং তার দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের অভিজ্ঞতা জাতীয় রাজনীতিতে কীভাবে নতুন মাত্রা যোগ করে।

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত