যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরাইলি সেনাবাহিনী

সংবাদপত্র প্রতিবেদক
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির বলেছেন, জনবল সংকট সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে যেকোনো মুহূর্তে তাদের সেনাবাহিনী ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে আছে। এক নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

সামরিক সূত্রগুলোর মতে, চলমান সংঘাতের মধ্যে সেনাবাহিনীতে জনবল ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি ভবিষ্যতে গাজা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীর সীমান্তে আরও বেশি সৈন্য প্রয়োজন হবে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিয়োগ না হলে বিভিন্ন এলাকায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে হরেদি (অতি-অর্থডক্স ইহুদি) সম্প্রদায়ের সদস্যদের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য এখনো কার্যকর কোনো আইন পাশ হয়নি, যা চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

এর আগে সরকার ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ পরিচালনার পূর্বে একটি বিতর্কিত ড্রাফট আইন করতে চেয়েছিল। কিন্তু সমালোচকদের মতে এটি মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং বাস্তবে নিয়োগ বাড়াতে কার্যকর হতো না।

জামিরের সতর্কবার্তার পর বিরোধী নেতারা সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ইয়ার ল্যাপিড বলেন, ভবিষ্যতে কোনো বিপর্যয় ঘটলে সরকার দায় এড়াতে পারবে না। অ্যাভিগডর লিবারম্যান সকল নাগরিকের বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের আহ্বান জানান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, তারা অকারণে দেরি করছে।

অন্যদিকে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট বলেন, সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা চালু করা এখন সময়ের দাবি। সব মিলিয়ে জনবল সংকট, বিতর্কিত নিয়োগ নীতি এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন এবং আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্র- জেরুজালেম পোস্ট

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত